প্রতীকী ছবি
“কৃষি ও বিদ্যুৎ বিল” প্রত্যাহার, কৃষিপণ্যের মজুতদারী কালোবাজারি বন্ধ, সহ একাধিক দাবি নিয়ে আজ সারা ভারত বনধের ডাক দিয়েছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।কিষাণ মোর্চার ডাকা এই বনধের মিশ্র প্রভাব দেখা গেল রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়৷বনধের সমর্থনে জায়গায় জায়গায় পথে নেমেছে বামেরা। কোথাও জোরপূর্বক বাস আটকে দেওয়া হয় ৷ কোথাও রেললাইনের উপর পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন৷ আবার কোথাও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়৷এদিন সকাল থেকেই কলকাতা, হুগলি, পশ্চিম বর্ধমান, এবং মালদায় বনধের প্রভাব দেখা গিয়েছে।
তবে ধর্মঘটের তেমন প্রভাব দেখা গেল না শহর শিলিগুড়িতে। সকাল থেকে দোকানপাট কিছুটা বন্ধ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খুলতে শুরু করেছে বাজারহাট, অফিস, দোকান। রাস্তায় তুলনামূলকভাবে বেসরকারি বাসের সংখ্যা কম থাকলেও সরকারি বাস স্বাভাবিক দিনের মতই চলছে। চলছে
টোটো এবং ছোট গাড়িগুলিও। যদিও বনধের সমর্থনে সাতসকালে শিলিগুড়ির পথে নামে এসইউসিআই, অল ইন্ডিয়া কিষাণ মজদুর সংগঠন, সিপিআইএমএল সহ একাধিক দল।
বনধের মিশ্র প্রভাব দেখা গেল মালদা শহরে। রথবাড়ি মোড়ে পিকেটিং করে বনধ সফল করতে সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানান বাম সমর্থকরা। যদিও শহরের রাস্তায় সেভাবে বেসরকারি বাস চোখে পড়েনি ৷ তবে হেলমেট পড়ে সরকারি বাস চালাতে দেখা যাচ্ছে চালকদের । এখনও পর্যন্ত শহরের দোকানপাট সেভাবে খুলতে দেখা যায়নি । রাস্তাঘাটও প্রায় শুনশান। সরকারি দফতরের সামনে পতাকা লাগিয়ে বিক্ষোভ করতেও দেখা যায় বনধ সমর্থকদের।
সুত্রের খবর, বনধের সবথেকে
বেশি প্রভাব পড়েছে কলকাতা, পশ্চিম বর্ধমান এবং হুগলিতে। কলকাতার বিধান সরণিতে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় সিপিএম কর্মীরা৷এদিকে সকাল থেকেই ধর্মঘটের প্রভাব দেখা গিয়েছে পশ্চিম বর্ধমানে৷ ভোর সকাল থেকেই বাম সমর্থকরা রাস্তায় নেমে মিনিবাস আটকে দেয়৷ এবং রানিগঞ্জ থেকে আসানসোলগামী বাসগুলিকে ফিরিয়ে দেয় । হুগলিতেও একাধিক জায়গায় বনধের প্রভাব পড়েছে৷ পাণ্ডুয়া, চুঁচুড়ার একাধিক জায়গায় বনধের সমর্থনে অবরোধ, মিছিল করা হয়েছে। এমনকি রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভও দেখান। এছাড়া হুগলি ও চুঁচুড়া স্টেশনের মাঝে চারের গোরায় রেললাইন অবরোধ করে বনধ্ সমর্থকরা। সাথে চুঁচুড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে কোনও বাস চলাচল করতে দেওয়া হয়নি ।





0 Comments
Please do not enter any spam link in comment box