সংগৃহীত ছবি
শিলিগুড়িঃ কৃষক স্বার্থ বিরোধী তিন নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে সারা ভারত বনধের ডাক দিয়েছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে শহর শিলিগুড়িতে মিছিল করল বামেদের সংগঠন।
সংগৃহীত ছবি
শুধু মাত্র ধর্মঘটই নয়, শিলিগুড়ি শহরের সার্বিক উন্নয়ন স্তব্ধ
কেন? এই প্রশ্নও তোলা হয়। তৃণমূল-কংগ্রেসের কোভিড টীকা নিয়ে স্বজন-পোষণ বন্ধ করে গণটীকাকরণে
জোর দিতে হবে। বিজেপির সাম্প্রদায়িকতা ও জাতপাতের বিভাজন রুখতে অবিলম্বে শিলিগুড়ি কর্পোরেশনে
নির্বাচন করাতে হবে। মিছিল থেকে এই দাবিও জোড়ালো হয়।
সংগৃহীত ছবি
এদিনের মিছিলটি শহরের ব্যস্তবহুল রোড হাসমিচক থেকে শুরু হয়। এরপর এগিয়ে যায় হিলকার্ট রোডের দিকে। মিছিলের প্রথম সারিতে পা মেলান অশোক ভট্টাচার্য, জীবেশ সরকাররা। এছাড়াও ছিলেন একাধিক বাম সমর্থক ও কর্মীরা। মিছিল থেকে অশোক ভট্টাচার্য বলেন, আজকে ২৭ সেপ্টেম্বর। ভারতবর্ষের ‘শ্রমিক-কৃষক’ আন্দোলনের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক দিন।
সংগৃহীত ছবি
এই দিনে কৃষকরা তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষাকে উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছেন। বহু মানুষের মৃত্যুও
হয়েছে। তারপরেও কেউ আন্দোলন থেকে বিরত থাকেননি। তার দাবি, অবিলম্বে কেন্দ্রের তিন দফা ‘কৃষি আইন’ বাতিল করতে হবে।
সংগৃহীত ছবি
এই বিলের কারণে কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম পাওয়ার যে অধিকার, তা ক্ষুন্ন হচ্ছে। এছাড়া শ্রমিকদের যে ৪০ টি আইন ছিল, সেগুলি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।
সংগৃহীত ছবি
এই কোডের মূল উদ্দেশ্য শ্রমিকদের ধর্মঘটের কোনো অধিকার নেই, শ্রমিকদের ন্যুনতম মজুরি দাবি করার অধিকার থাকবে না, এমনকি মালিক পক্ষ যদি শ্রমিকদের কাজ থেকে ছাটাই করে দেয়, তাতেও প্রতিবাদ করতে পারবে না। এই সমস্তের বিরুদ্ধেই আজকে দেশের সমস্ত শ্রমিক কৃষক সংগঠনের তরফে হরতাল ডাকা হয়েছে।







0 Comments
Please do not enter any spam link in comment box